বাংলাদেশে ভ্রমনে ইচ্ছুকদের জন্য তথ্যবলী

বাংলাদেশে ভ্রমনে ইচ্ছুক যাত্রীদের ব্যাগেজ বিধিমালা
আপনি একজন যাত্রী/ ভ্রমনকারী হিসেবে বাংলাদেশের যেকোন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বা সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশের সময় অনুমোদিত পরিমাণের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র সঙ্গে আনতে পারবেন। বিদেশ হইতে আগত সকল যাত্রীকে শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট ফরম পূরণ করে ব্যাগেজ ঘোষণা প্রদান করতে হবে ।আপনি হাতব্যাগ, কেবিন ব্যাগ এবং ৬৫ কিলোগ্রাম ওজন পর্যন্ত দুটি কার্টন, ব্যাগ বা বস্তা আনতে পারবে। এসব ব্যাগেজে পোশাক, ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী, বই, সাময়িকী এবং পড়াশোনার সামগ্রী কোনো ধরনের শুল্ক ও করের আওতায় আসবে না। যদি আপনি বিদেশি বা স্থানীয় মুদ্রা, মূল্যবান বস্তু, প্রত্নতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক বস্তু এবং অন্য কোন শর্তাধীন (Restricted) বা নিষিদ্ধ (Prohibited) পণ্য আমদানি/বহন করেন সেক্ষেত্রে আপনাকে সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় বিধি-বিধান মেনে চলতে হবে। আর এই ধরণের কোন পণ্য না থাকলে/ কর আরোপযোগ্য পণ্য বহন না করলে আপনি গ্রিন চ্যানেল (যদি থাকে) ব্যবহার করতে পারবেন।। গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমকারী সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ যাত্রীর ব্যাগেজ শুল্ক কর্মকর্তারা স্ক্যান ও পরীক্ষা করার আইনি অধিকার পাবেন। এ ক্ষেত্রে যে যাত্রীর ব্যাগেজ স্ক্যান করা হবে তিনি কোনো আপত্তি করতে পারবেন না। এই ধরণের পণ্য বা অনুমোদিত পরিমাণের বেশী পণ্য নিয়ে আসলে আপনাকে রেড চ্যানেলের ভিতর দিয়ে হেটে যেতে হবে এবং কাস্টমস কর্মকর্তার নিকট পণ্য প্রদর্শন করতে হবে।

একজন যাত্রী/ ভ্রমনকারীকে বাংলাদেশের যেকোন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বা সীমান্ত দিয়ে বের হওয়ার সময় সাধারণত কোন নির্দিষ্ট কাস্টমস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয় না। যদি তিনি শর্তাধীন (Restricted) বা নিষিদ্ধ (Prohibited) পণ্য বহন/রপ্তানি করেন সেক্ষেত্রে যাত্রীকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রচলিত নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। রপ্তানি নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন। আপনার কোনো প্রশ্ন/সন্দেহ থাকলে আপনি কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
ভ্রমণ সম্পর্কিত আরো তথ্য জানতে বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
বাংলাদেশের উপর নির্মিত একট শর্ট ডকুমেন্টারি - বিউটিফুল বাংলাদেশঃ জীবনের স্কুল দেখার জন্যে এখানে ক্লিক করুন।