$1 = 122.80 ৳ • €1 = 141.26 ৳
বিটিপি লোগো
বাংলাদেশ বাণিজ্য বাতায়ন রপ্তানি ও আমদানি সহজীকরণ
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক
Home আমদানি নির্দেশিকা

আমদানি নির্দেশিকা

বাণিজ্যিক আমদানি

ইনডেক্স

  • নিবন্ধন

  • নিষিদ্ধ  পণ্য

  • আমদানি লাইসেন্স

  • স্যানিটারি এবং ফাইটোস্যানিটারি  সম্পর্কিত ব্যবস্থাগুলো 

  • কারিগরী শর্তাবলী/মানদণ্ড

  • আমদানি ঘোষণাপত্র

  • শুল্ক পরিশোধ

  • ওয়ারহাউস ব্যবস্থার অধীনে আমদানিকৃত পণ্য

  • অগ্রিম ঘোষণাপত্র

  • কাস্টমস ব্রোকার

  • ক্লাসিফিকেশন এবং ভ্যালু

  • অস্থায়ী আমদানি

  • অব্যাহতি

  • আমদানীকারক জন্য এন্টি-ডাম্পিং সম্পর্কিত প্রশ্নাবলী

  • আমদানি পরিসংখ্যান 

নিবন্ধন

একজন আমদানিকারক হিসেবে আপনি যদি বাংলাদেশে বাণিজ্যিক পণ্য আমদানি করতে চান তবে আপনাকে  তবে আপনাকে  ওএলএম ওয়েবসাইটে আবেদন করে  আমদানি নিবন্ধন সনদপত্র গ্রহণ করতে হবে ।

নিষিদ্ধ পণ্য

বাংলাদেশে পণ্য আমদানির আগে সেগুলো "নিষিদ্ধ পণ্য শ্রেণীতে" অন্তর্ভুক্ত কিনা সে সম্পর্কে আগেই নিশ্চিত হওয়া উচিত ।  বাংলাদেশের বাজারে নিষিদ্ধ পণ্য আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন, বিক্রি বা  প্রচার করা যায় না । নিষিদ্ধ পণ্যের মধ্যে রয়েছে অস্ত্র, সাইকোট্রপিক পদার্থ, মাদক এবং বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ । আমদানিকারকে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত আইন ও বিধিসমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে ।

নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকা

আপনার কোনো প্রশ্ন/সন্দেহ  থাকলে আপনি আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিসের (সিসিআইই) সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ।

নিয়ন্ত্রিত পণ্যের তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন ।

আমদানি লাইসেন্স

কিছু নির্দিষ্ট প্রকারের পণ্য  আমদানির জন্য সিসিআইই থেকে আমদানি লাইসেন্স গ্রহণ করতে হয় । পণ্যের প্রকারের উপর নির্ভর করে,  সিসিআইই  স্বয়ংক্রিয় বা ম্যানুয়াল লাইসেন্স ইস্যু করে । 

যদি একটি পণ্যের সাথে লাইসেন্সিং বা নির্দিষ্ট স্যানিটারি / ফাইটোস্যানিটারি বা কারিগরী ব্যবস্থার  কোন সম্পর্ক না থাকে তবে আপনি কাস্টমসে সরাসরি একটি ঘোষণাপত্র জমা দিয়ে পণ্য আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন ।

আমদানি  লাইসেন্সের জন্য আবেদন করার জন্য পদ্ধতি জানতে এখানে ক্লিক করুন

স্যানিটারি এবং ফাইটোস্যানিটারি  সম্পর্কিত ব্যবস্থাগুলো 

আপনি যে পণ্য-সামগ্রী আমদানি করতে চান সেগুলোর সাথে যদি  স্যানিটারি এবং ফাইটোস্যানিটারি  ব্যবস্থাগুলো  সম্পর্কিত থাকে তাহলে  ঐ পণ্য-সামগ্রীর সাথে সম্পর্কিত বিশেষ নিয়মাবলী মেনে চলতে হবে । আপনি পণ্য অনুসন্ধান পেজে সার্চ করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারেন ।

সাধারণত, আপনি কি ধরণের পণ্য আমদানি করতে চান  তার উপর নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে অনুমতিপত্র

গ্রহণ করতে হবে । অনুমতিপত্র  গ্রহণের বিস্তারিত প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রের  বিবরণ এই ওয়েবসাইটের পদ্ধতি পেজে পাওয়া যাবে ।

ডব্লিউটিও এর এসপিএস (SPS) এগ্রিমেন্টের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী সন্নিবেশিত করে বাংলাদেশ ট্রেড পোর্টাল একটি এসপিএস ইনকয়েরি পয়েন্ট প্রতিষ্ঠা করেছে । স্যানিটারি এবং ফাইটোস্যানিটারি  ব্যবস্থাগুলো  সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন থাকলে আপনি এসপিএস ইনকয়েরি পয়েন্টের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ।

কারিগরী শর্তাবলী/মানদণ্ড

কিছু  নির্দিষ্ট প্রকারের পণ্যের জন্য এই মর্মে প্রত্যায়িত একটি অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে হবে যে পণ্যগুলো নির্দিষ্ট/নির্ধারিত  কারিগরি মানদণ্ডের  সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ । এসব কারিগরি বিধি-বিধানসমূহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয় ।

আপনি পণ্য অনুসন্ধান পেজে সার্চ করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারেন । এই সম্পর্কিত অন্যান্য প্রক্রিয়াসমূহ এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রের  বিবরণ এই ওয়েবসাইটের পদ্ধতি পেজে পাওয়া যাবে ।

ডব্লিউটিও এর টিবিটি (TBT) এগ্রিমেন্টের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী সন্নিবেশিত করে বাংলাদেশ ট্রেড পোর্টাল একটি টিবিটি ইনকয়েরি পয়েন্ট প্রতিষ্ঠা করেছে । কারিগরী মানদণ্ড  সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন থাকলে আপনি টিবিটি ইনকয়েরি পয়েন্টের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন । বিস্তারিত জানার জন্য আপনি বিশেষ ব্যবস্থা  (Special Measures) পেজে ক্লিক করতে পারেন ।

আমদানি ঘোষণাপত্র

বাংলাদেশে আমদানিকৃত সকল পণ্য  ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে  আমদানি করতে হবে এবং এক্ষেত্রে রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক শুল্ক অব্যাহতি বা স্থগিতাদেশ দেওয়া না হলে অবশ্যই  শুল্ক পরিশোধ করতে হবে ।

ঘোষণাপত্র হিসেবে যথাযথভাবে পূরণকৃত  এবং স্বাক্ষরিত  একটি নির্ধারিত ফর্মের সাথে নিম্নবর্ণিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র  জমা দিতে  হবে:

  • পণ্য সরবরাহকারী থেকে পাওয়া বাণিজ্যিক চালান বা বিক্রয় ডকুমেন্টের চুক্তিপত্র

  • পরিবহন ডকুমেন্ট যেমন বহন পত্র বা এয়ার ওয়ে বিল

  • প্যাকিং তালিকা (যদি থাকে)

  • রপ্তানিকারক কর্তৃক সরবরাহকৃত মূল সার্টিফিকেট (সার্টিফিকেট অফ অরিজিন )

  • আমদানিকৃত পণ্যের ধরনের উপর নির্ভর করে অন্যান্য মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যুকৃত কোন আমদানি লাইসেন্স বা অনুমতিপত্রের কপি

আঞ্চলিক কাস্টমস অফিসে ঘোষণাপত্র জমা দেওয়া যেতে পারে ।  কাস্টমস অফিসের  তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন (এখানে  আমদানিকারক  ঘোষণাপত্র জমা দিতে পারে এবং আমদানিকৃত পণ্য খালাস করতে পারে ) ।

কাস্টমসের কাজে স্বচ্ছতা আনতে  চট্টগ্রাম কাস্টমসে আঙ্কটাড কর্তৃক ডিজাইনকৃত ASYCUDA স্বয়ংক্রিয় কাস্টমস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে ।

অগ্রিম ঘোষণাপত্র

আমদানি ক্লিয়ারিং প্রক্রিয়া সহজতর করার জন্য আপনি প্রি-এ্যারাইভাল  কাস্টমস ডিক্লারেশন জমা দিতে পারেন । এই প্রক্রিয়াটি পণ্য আসার তারিখের পূর্ববর্তী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করা যাবে । এক্ষেত্রে একটি সাধারন ঘোষণাপত্র জমা দেওয়ার একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে । আমদানিকারক পণ্য খালসের সময়ে শুল্ক পরিশোধ করতে পারেন ।

কাস্টমস ব্রোকার

আপনার পক্ষ থেকে আমদানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য  আপনি একজন কাস্টমস ব্রোকার নিয়োগ করতে পারেন । ব্রোকার সংক্রান্ত তথ্যের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।

ক্লাসিফিকেশন এবং ভ্যালু

আমদানিকৃত পণ্যের কাস্টমস শুল্ক তাদের ঘোষিত মূল্যের শতকরা ভাগ হিসাবে পরিশোধ করা হয় । বাংলাদেশে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর পরিশোধযোগ্য শুল্ক হার পণ্য এবং উৎপত্তি দেশ (কান্ট্রি অফ অরিজিন) অনুযায়ী পরিবর্তিত হয় । পণ্যদ্রব্য ৮ ডিজিটের হারমোনাইজিড সিস্টেম (এইচএস) কোড ব্যবহার করে শ্রেণীবদ্ধ করা হয় যা ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশনের  তত্ত্বাবধানে  নিয়ন্ত্রিত হয় এবং প্রয়োজন অনুসারে সংশোধন করা হয় । আপনি এই ওয়েবসাইটে পণ্য অনুসন্ধান পেজে সার্চ করে বাংলাদেশ ট্যারিফের সম্পূর্ণ  ক্লাসিফিকেশন এবং ট্যারিফ হার দেখতে পারেন ।

আমদানিকারকের দায়িত্ব হচ্ছে পণ্যের সঠিক শ্রেণীবিভাগ, উৎপত্তি, মান এবং পরিমাণের তথ্য শুল্ক বিভাগকে জানানো । আমদানিকারকের কোনো প্রশ্ন/সন্দেহ  থাকলে কাস্টমস বিভাগের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ।

পণ্যের প্রকৃত লেনদেনের মূল্যমানের ভিত্তিতে শুল্কের হিসাব করা হয় (এক্ষেত্রে বাণিজ্যিক চালান বা অন্যান্য বিক্রয় ডকুমেন্ট চুক্তি সংক্রান্ত নথিপত্রের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হয়) । এই পদ্ধতিতে পণ্যের মূল্যমান নির্ধারণ করা সম্ভব না হলে, কাস্টমস বিভাগ জেনারেল এগ্রিমেন্ট অন ট্যারিফ এ্যান্ড ট্রেড (GATT ১৯৪৭) এর ৭ নং ধারা অনুযায়ী আরো পাঁচ ধরণের এই পদ্ধতি ব্যবহার করে পণ্যের মূল্যমান  নির্ধারণের  চেষ্টা করে ।

শুল্ক পরিশোধ

কাস্টমস বিভাগে ডিক্লারেশন জমা দেওয়া এবং তা কাস্টমস কর্তৃক গৃহীত হওয়ার পর শুল্ক পরিশোধ করতে হয় । দেশের প্রধান প্রধান সীমান্ত পোস্টের নিকটবর্তী ব্যাংকের মাধ্যমে আমদানিকারক  শুল্ক পরিশোধ করতে পারে ।ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য শুল্ক রশিদের কপি কাস্টমস বিভাগে উপস্থাপন করতে হবে । অন্যান্য সীমান্ত পোস্টে শুধুমাত্র নগদ অর্থ গ্রহণ করা হয় সেক্ষেত্রে আপনি কাস্টমস ক্যাশিয়ারের দপ্তরে  শুল্ক  পরিশোধ করতে পারেন ।

ওয়ারহাউস ব্যবস্থার অধীনে আমদানিকৃত পণ্য

আমদানিকারক যদি আমদানিকৃত পণ্যদ্রব্য কিছুদিন পরে দেশের বাজারে ছাড়তে চায় তাহলে তিনি ওয়ারহাউস ব্যবস্থার অধীনে আমদানি করতে পারেন । পণ্য গুদামে থাকাকালীন সময়ের জন্য শুল্ক  পরিশোধ স্থগিত করা হবে এবং বাজারে ছাড়ার সময় ডিউটি পরিশোধ করতে হবে । ওয়ারহাউস ব্যবস্থার অধীনে পণ্য গুদামে রাখার সময় একটি আমদানি ঘোষণাপত্র জমা দিতে হবে এবং বাজারে ছাড়ার সময় যথারীতি আরেকটি ডিক্লারেশন জমা দিতে হবে । দেশে বিভিন্ন ধরনের ওয়ারহাউস আছে । বিস্তারিত জানার জন্য কাস্টমস আইনের সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো দেখতে পারেন ।

অস্থায়ী আমদানি

নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে অস্থায়ীভাবে পণ্য-সামগ্রী  আমদানি  করা যাবে:

  • উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, রূপান্তর বা মেরামতের জন্য আমদানিকৃত যন্ত্রপাতি ও সাজসরঞ্জাম যা এক বৎসরের মধ্যে পুনঃ রপ্তানি করা হবে ।

  • প্রকল্প তত্ত্বাবধানের উদ্দেশ্যে, পর্যটনের বা ব্যবসায়িক ভ্রমণের জন্য আমদানিকৃত যানবাহন যেগুলো নির্ধারিত সময় পর পুনরায় এক্সপোর্ট করা হবে ।

  • বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত সরঞ্জাম/সামগ্রী আমদানি করার প্রয়োজন হয়

  • এক্সিবিশন, শিক্ষামূলক বা বৈজ্ঞানিক উপকরণ

এই ধরনের আমদানির জন্য  অস্থায়ী আমদানি ব্যবস্থার অধীনে  একটি ঘোষণাপত্র জমা দিতে হবে ।এই ধরণের আমদানির জন্য কোন শুল্ক পরিশোধ করতে হবে না ।

আমদানি ও রপ্তানি বন্দর একই হইলে আমদানিকৃত পণ্য বন্দরের বাইরে নেওয়া যাবে না । আমদানি ও রপ্তানি বন্দর ভিন্ন হইলে ডিউটি ড্র-ব্যাকের আওতায় শুল্ককর পরিশোধ অথবা ১০০% ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে শুল্ক কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে রপ্তানি বন্দরে স্থানান্তরপূর্বক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে পণ্য রপ্তানি করতে হবে । আমদানিকৃত পণ্য পুনঃ রপ্তানির ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সকল পদ্ধতি ও আনুষ্ঠানিকতা পালন  করতে হবে।  মেশিনারী, ইকুইপমেন্ট বা সিলিন্ডার মেরামত, রি-ফিলিং বা মেইনটেন্যান্স ইত্যাদির জন্য বিদেশে প্রেরণের ক্ষেত্রে পণ্যের সমমূল্যের ব্যাংক গ্যারান্টি প্রদান করতঃ আমদানি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিকট হতে রপ্তানি-কাম-আমদানি পারমিট বা অনুমতি গ্রহণ  করতে হবে (রেফারেন্স: আমদানি নীতি আদেশ ২০১২-১৫) ।

সিসিআইই কর্তৃক ইস্যুকৃত অস্থায়ী আমদানি অনুমতিপত্রের রেফারেন্স নথির জন্য এখানে ক্লিক করুন ।

অব্যাহতি

কূটনৈতিক মিশন, সরকারী বিনিয়োগ উন্নয়ন প্রকল্পের, নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক জোন এবং বিশেষ ক্ষেত্রে  আমদানিকৃত পণ্যের জন্য কাস্টম ডিউটি এবং অন্যান্য বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি  পাওয়া যায় । শুল্ক অব্যাহতি পাওয়ার জন্য বিবেচ্য পণ্যের  তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন ।

এই অব্যাহতি সুবিধা সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য কাস্টমসের সাথে যোগাযোগ করুন ।

বাংলাদেশে আসা যাত্রীদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্রের জন্য কাস্টম ডিউটি পরিশোধ করতে হয না । ব্যক্তিগত পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমান  জানার জন্য এই ওয়েবসাইটে ব্যাগেজ রুলস পেজে সার্চ করে  বিস্তারিত জানতে পারেন ।

আমদানীকারক জন্য এন্টি-ডাম্পিং সম্পর্কিত প্রশ্নাবলী

 প্রশ্নাবলী দেখতে এখানে ক্লিক করুন ।